প্রতিদিন মুরগি খান রোনালদো

খেলাধূলা

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফিটনেস–সচেতন খেলোয়াড়। বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেকে ফিট রাখতে শরীরের যত্ন নেন নিয়ম মেনে। নিজেকে নিখুঁত রাখতে তাঁর চেষ্টার অন্ত নেই। আর সে চেষ্টায় রোনালদোর প্রিয় খাবার কী? মুরগি।
 
অবশ্য প্রিয় খাবার বললে আপত্তি তোলা যেতে পারে। অনেকগুলো খাবারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিলে তাকে প্রিয় বলা যায়। রোনালদো যে প্রতিদিন একই খাবার খান। তাঁর এমন কঠোর নীতির কথা জানিয়েছেন তাঁর এক সতীর্থ

দাউদা পিটার্স এক জায়গায় অনন্য। দুই দশকের ক্যারিয়ারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যা পাননি, সে অপূর্ণতা দূর করে দিয়েছেন পিটার্স। এই মিডফিল্ডারের আগে যেকোনো বেলজিয়ান কখনো রোনালদোর সঙ্গী হয়ে মাঠে নামেননি!

জুভেন্টাসে খেলার সুবাদে রোনালদোর সে অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। ২০১৯–২০ মৌসুমে জুভেন্টাসের এক ম্যাচে ১৪ মিনিটের জন্য নেমেছিলেন পিটার্স। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকবার জুভেন্টাসের মহাতারকার সঙ্গে ড্রেসিংরুমে থাকার সৌভাগ্য হয়েছে। আগামী রোববার ইউরোর শেষ ষোলোতে রোনালদোর পর্তুগালের মুখোমুখি হবে পিটার্সের দেশ বেলজিয়াম।

জুভেন্টাস তারকাকে কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য একমাত্র পিটার্সেরই হয়েছে। তাই তাঁর কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছিল রোনালদোর ব্যাপারে। বেলজিয়ান চ্যানেল এইচএলএনের কাছে পিটার্স আগে ফিটনেস–সচেতন রোনালদোর কথাই জানালেন, ‘সব সময় একই জিনিস খান। ব্রোকলি, মুরগি আর ভাত। সঙ্গে প্রচুর পানি। অবশ্যই কোকা–কোলা থাকে না।’ হাসতে হাসতে পিটার্সের বলা এই কথার ইঙ্গিতটা পরিষ্কার।

ফিটনেস–সচেতন রোনালদোর এ নিয়ে একাগ্রতার কথা অনেকেই জানিয়েছেন। বহুবার শোনা সে গল্পের আরেকটি অংশ শোনা গেল পিটার্সের মুখেও, ‘আমি একবার জিমে গিয়েছিলাম এবং ক্রিস্টিয়ানো সেখানে ছিলেন। আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। একজন ফুটবলারের পরিপূর্ণ শরীর। আমিও বেশ ভালোই পেশিবহুল কিন্তু সেদিন মনে হলো, ‘এখনো অনেক কাজ বাকি।’ অবশ্য বহুদিন ধরে একদম নিয়ম করে এটা করছেন তিনি।’

সাফল্য পেতে সব সময় পরিশ্রম করতে চান রোনালদো। যখনই সুযোগ পান, আরেকটু অনুশীলন করে শাণিয়ে নেন নিজেকে। ফুটবলে কতটা নিমজ্জিত রাখেন, সেটাও জানালেন পিটার্স, ‘ক্রিস্টিয়ানো খুব ভালো মানুষ, একদম অহংকারী নন। কিন্তু ফুটবল খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখেন, বাসে অন্য কিছু নিয়ে কথা বলেন না। মাঝে মাঝে বেলজিয়ান খেলোয়াড় নিয়ে কথা বলেন। লুকাকুকে অনেক সম্মান করেন। বরাবরের মতোই বেলজিয়ামকে হারাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকবেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *