বিধিনিষেধ মানছে না মানুষ, বাড়ছে গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তমদিনে রাজধানীতে ব্যাপকভাবে যানবাহন ও মানুষের চলাচল দেখা গেছে। অকারণে বের হওয়ায় আজও ১১০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়েছে দুই শতাধিককে।

সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, লরি, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেলসহ অধিক সংখ্যায় যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় যারা অফিস ও পেটের দায়ে বের হয়েছেন তাদের একমাত্র বাহন ছিলো রিকশা। যাতে গুণতে হয়েছে বাড়তি ভাড়াও।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিজিবি ও পুলিশের তল্লাশিতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখেও পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষেদের। বাদ যায়নি রিকশাচালকও। এক রিকশাচালক বলছেন, আজকে একটু বেশিই কড়া। কিছুদিন আগেও এমন আছিলো না। ঝামেলাও হয়নি। তয় আজকে খালি ধরতাছে।

অফিসগামী সবুজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সবকিছু বন্ধ থাকলে অফিসে যাবো কিভাবে? সব অফিসতো আর বন্ধ নয়, যেতে তো হবে। রিকশায় যে ভাড়া তার চেয়ে পায়ে হেটে যাওয়াই ভালো। তারমধ্যে যদি জরিমানা গুনতে হয় তাহলে আমরা চলবো কি করে।

অন্যদিকে পুলিশ বলছে, সড়কে মানুষের চলাচলের পাশাপাশি যানবাহনের চাপ বেড়েছে। মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে। তল্লাশি এবং টহলও দেয়া হচ্ছে। মাইক দিয়ে প্রচারণাও চলছে। যারা একদম অপ্রয়োজনে বের হচ্ছে তাদেরকে গ্রেপ্তার ও জরিমানা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে সবাই সচেতন করার চেষ্টা করছি, যাতে তারা করোনার হাত থেকে রক্ষা পান।

এদিকে আজ বিধিনিষেধ অমান্য করায় ৮০৪ টি গাড়িকে ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৪৫ জনকে এক লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এবিষয়ে ডিএমপির (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে রাজধানীতে পুলিশের বিভিন্ন টিমের সদস্যরা কাজ করছে। যারা যৌক্তিক কারণ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন তাদের আইনের আওতায় ও জরিমানা করা হচ্ছে। তবে অনেকেই ঘর থেকে কোন কারণ ছাড়াই বের হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান কঠোর বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পূর্বের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *